Aug 12, 2016

অতিসত্ত্বর দেবোত্তর সম্পত্তি আইন বাতিল করা হউক! দুই শতাংশ জনগোষ্ঠীর জন্য কি ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী নিজভূমে পরবাসী হবে? দেবোত্তর সম্পত্তির নামে জমি ছিনিয়ে নেয়া কি জনগণ বরদাশত করবে?

সিলেটের তারাপুর চা বাগান, রাগীব রাবেয়া মেডিকলে কলেজ, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ৩০০০ পরিবারকে উচ্ছেদ করার পক্ষে রায় দিয়েছে উচ্চ আদালত। প্রশাসন নোটিশ দিয়ে এলাকাবাসীকে বলেছে- এলাকা ছেড়ে দ্রুত চলে যেতে হবে, অন্যথায় কয়েকদিনের মধ্যে গ্যাস পানি বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেখানে প্রায় ৪৪৪ একর বা ১৩৩২ বিঘা জমি হিন্দুদের দিয়ে দেয়া হবে। সেখানে হিন্দুরা দেবতার মূর্তি স্থাপন করবে। এটা নাকি হিন্দুদের কথিত দেবোত্তর সম্পত্তি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মুসলমানদের ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’র ইতিহাস ভুলে গেলে চলবেনা।

এই বাংলার প্রায় সব জমির মালিক এক সময় মুসলমানরাই ছিলো। কিন্তু ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশ কর্নওয়ালিশ ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ আইন পাশ করে মুসলমানদের থেকে জমি কেড়ে নিয়ে হিন্দুুদের দিয়ে দেয়। ফলে এক সময়কার সম্ভ্রান্ত মুসলমানরা পথে বসে যায় এবং কর্মচারি হিন্দুরা জমিদার বনে যায়। ফলে হঠাৎ দরিদ্র হওয়া মুসলমান তাদের কর্মচারি হিন্দুদের অধিনে চাকুরী করতে বাধ্য হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশেও কিন্তু একই ধরনের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন পাশ হয়েছে। ‘অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইন’ ও ‘দেবোত্তর সম্পত্তি আইন’ হচ্ছে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বর্তমান সংষ্করণ। অদূর ভবিষ্যতে দেবোত্তর সম্পত্তির আইনি অস্ত্র ঠেকিয়ে আপনার জমিও যে হিন্দুরা কেড়ে নেবে না, সেটা কিন্তু নিশ্চিত বলা যাচ্ছেনা। সূতরাং ভিটেবাড়ি, জায়গা-জমি রক্ষা করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দাবি তুলতে হবে, বাংলাদেশে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পুনরাবৃত্তি করা যাবে না। মুসলিম উচ্ছেদ করে হিন্দুদের জমি দেওয়া চলবে না।

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইন ও দেবোত্তর সম্পত্তি আইন বাতিল করতে হবে। তারাপুরে ‘দেবোত্তর সম্পত্তি’র নামে ৩০০০ মুসলিম পরিবারসহ একাধিক মসজিদ, স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাজারো কর্মসংস্থান উচ্ছেদ চলবে না। রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ভাঙ্গা চলবে না। ১টি মন্দিরের জন্য ৩০০০ হাজার পরিবারকে উচ্ছেদ বরদাশত করা হবেনা। এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের জায়গা জমি’র নিরাপত্তা দিতে হবে। দেবোত্তর সম্পত্তি আইন বাতিল করতে হবে।

শুধু পিস টিভি-পিস স্কুল বন্ধ নয়, বরং সন্ত্রাসবাদ চেতনা বিস্তারকারী ওহাবী-ছালাফীদের সিলেবাস ও প্রকাশনা, ওয়েবসাইটসমূহও নিষিদ্ধ করতে হবে

মুসলিম তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্তকারী বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভি, পিস স্কুল বন্ধ করার জন্য সচেতন মহল বহুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলো। দেরিতে হলেও সরকার এটি কার্যকর করেছে বলে সরকারকে মুবারকবাদ জানাই।

তবে পিস টিভি, পিস স্কুলের কার্যক্রম বন্ধতেই সব সমস্যার সমাধান নয়। কারণ পিস টিভির মাধ্যমে জাকির নায়েক বা তার অনুসারিদের প্রোগ্রাম বা ব্রেইন ওয়াশ কার্যক্রম বন্ধ হলেও এদেশে পিস পাবলিকেশনের মতো ওহাবী-সালাফী, জামাত-শিবিরের ভ্রান্ত মতাদর্শ প্রচারকারী বহু প্রকাশনা, আত তাহরিকের মতো অনেক মাসিক পত্রিকা, বহু ওয়েবসাইট, বহু মাল্টিমিডিয়া পাবলিকেশন্স বাজারে সয়লাব রয়েছে।

এসব পাবলিকেশন্স-এর বই কিংবা সিডি, ভিডিও, ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেইজ ইত্যাদি প্রচারণা তরুণ প্রজন্মকে সন্ত্রাসবাদের দিকে উস্কে দিচ্ছে। সূতরাং ভ্রান্ত মতবাদ প্রচারকারী ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এসব প্রচার মাধ্যমগুলোও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

Jan 27, 2016

কাফির-মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব নীতি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত; বিষাক্ত সাপের সাথে বন্ধুত্ব করা আত্মহত্যারই শামিল

মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ কিয়ামত পর্যন্ত সত্য এবং কিয়ামত পর্যন্ত কেউ ভুল কিংবা মিথ্যা প্রমাণ করতে পারবে না। যার সত্যতা মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “এটি এমন একটি কিতাব, যাতে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)

সেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বা উপদেষ্টা হিসেবে গ্রহণ করো না, তারা (হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইহুদী) তোমাদের অকল্যাণ সাধনে কোনো ক্রটি করে না- তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসূত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশি জঘন্য। দেখ! তোমরাই তাদের (অমুসলিমদের) ভালোবাসো, কিন্তু তারা তোমাদের প্রতি মোটেও সদভাব পোষণ করে না।” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৮-১১৯)

তারপরেও কোনো মুসলমান কিংবা শাসকগোষ্ঠী যদি অমুসলিমদের সাথে সম্প্রীতির নামে বন্ধুত্ব করতে চায় কিংবা সহযোগিতার নামে পরস্পর চুক্তিতে আবদ্ধ হয়- সেটা হবে আত্মঘাতী তথা আত্মহত্যার শামিল।

Nov 20, 2015

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপনে মুসলিম উম্মাহর প্রতি খোলা চিঠি

৬৩ দিন ব্যাপী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিলে দাওয়াত পত্র
বড় করে দেখতে ক্লিক করুন

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

মুহতারাম, আপনি নিশ্চয়ই অবহিত আছেন যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক বিলাদত শরীফ অর্থাৎ দুনিয়াতে আগমন উনার দিবস হচ্ছে সম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ, যা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ  শরীফ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন। এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

“হে মানবজাতি! মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন তোমাদের প্রতি সুমহান নছীহতকারী, অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ শিফাদানকারী, কুল-কায়িনাতের মহান হিদায়েত দানকারী এবং ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফযল-করম মুবারক ও সম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে যে লাভ করতে পেরেছে সেজন্যে তারা যেন খুশি প্রকাশ করে তথা ঈদ উদযাপন করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সঞ্চিত সমস্ত নেক আমল থেকে উত্তম।”  [পবিত্র সূরা ইউনূছ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮]

উপরোক্ত আয়াত শরীফ অনুসারে মহান আল্লাহপাক খুশি করা বা ঈদ উদযাপন অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয করে দিয়েছেন এবং এই খুশি করা প্রসঙ্গে ইরশাদ মুবারক করেন-

“নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদানকারী এবং সতর্ককারী স্বরূপ প্রেরণ করেছি যেন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনো এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনো এবং উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক করো, সম্মানিত তা’যীম তাকরীম  মুবারক করো এবং উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে সদা-সর্বদা।” [পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ০৮-০৯]
এ কারণে দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার খিদমত মুবারক, তাযীম-তাকরিম মুবারক ও ছানা ছিফত মুবারক করার উদ্দেশ্যে রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মজলিস জারী করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! 

ইতিহাসে নজির বিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত সুমহান মাহফিল উনার মধ্যে সম্মানিত ও পবিত্র ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদুশ শুহুর পবিত্র রবিউল আউওয়াল শরীফ উনার সম্মানার্থে বিশেষ শান হিসেবে ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।

সুমহান পৃষ্ঠপোষক ও প্রধান অতিথি:
সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল ক্বুরাইশী; যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বংশধর অর্থাৎ আওলাদুর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি বিলুপ্ত সুন্নতসমূহ যিন্দাকারী। উনার পক্ষ থেকে উক্ত অনুষ্ঠানে আসার জন্য আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ।

শুকরান জাযীলান! ওয়াস সালাম!
মাহফিল ইন্তেজাম কমিটি,
রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা

Nov 11, 2015

বাংলাদেশে জিএমও ফুড (GMO Food) নিষিদ্ধ করতে হবে

বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিষাক্ত বিকৃত জিন বা জিএম (জেনেটিক্যাল মডিফাইড) শস্য কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা করছে। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে ১৯টি দেশে জিএম শস্য চাষ নিষিদ্ধ। ফিলিপাইনে গোল্ডেন রাইস ব্যান্ড করার জন্য সাধারণ জনগণ আন্দোলন পর্যন্ত করেছে। ভারতে প্রবল বিতর্ক এবং জনরোষের মুখে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রী জয়রাম রমেশ ২০১০ সালে জিএম শস্য (বিটি বেগুন) বাণিজ্যিকিকরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ভারতের সবক’টি রাজ্য এইসব শস্য বাজারজাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
চীন সরকার গোল্ডেন রাইস-এর বীজ তার দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এমনকি চোরাই পথেও যেন এ ধানের বীজ তার দেশে প্রবেশ করতে না পারে এ নিয়েও সতর্ক থাকছে চীন।
অথচ বাংলাদেশের মতো সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে থাকা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনকারী দেশে ভিটামিন-এ’র জন্য গোল্ডেন রাইস উৎপাদনে স্বীকৃত দেওয়া সত্যিই আশ্চর্যজনক!
গোল্ডেন রাইস কি?
একধরণের চাল, যেটা সরাসরি প্রকৃতির দান নয়। ল্যাবরেটরিতে ‍কৃত্রিমভাবে চালের প্রজনন পরিবর্তন করে এক ধরণের মোডিফাইড চাল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিটি বেগুন ও গোল্ডেন রাইস জাতীয় শস্য খেলে মানবদেহের উপকৃত ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। যা মানবদেহের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। সম্প্রতি কিছু কুচক্রী মহলের পরামর্শে বাংলাদেশে গোল্ডেন রাইস জিআর-২ বীজ আমদানি করার চেষ্টা চলছে।
গোল্ডেন রাইস খেলে কি ক্ষতি হতে পারে:
১) গর্ভবতী নারী খেলে তার সন্তানের জন্মগত ত্রুটি (birth defects) ঘটতে পারে ।
২) যে মানুষ কম পরিমাণ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে, সে এ ধরনের চাল খেলে তার শরীরের বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে।
৩) যে মানুষ ডায়রিয়ায়, ক্ষুদ্রান্ত্রেও প্রদাহসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত, সে এ ধরনের চাল খেলে শরীরের নানাবিধ বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে।
৪) হজম প্রক্রিয়ায় বিটা ক্যারোটিন (গোল্ডেন রাইসে আছে) পরিবর্তিত হয়ে রেটিনল বা রেটিনোইক এসিড তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা চর্বি বা plasma তে জমা হতে পারে কিন্তু এর প্রভাব বিষাক্ত এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।
এ সম্পর্কে বাংলাদেশে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলে-“'BRRI-র অনুরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কমিটি অন ক্রপ বায়োটেকনোলজি গত ২০শে সেপ্টেম্বর মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই ধান উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে।”
আফসোস !!!
আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের করাও সময়ের দাবি। গোল্ডেন রাইস নিয়ে ইতোমধ্যে সচেতন মহল পত্র-পত্রিকায়, সোস্যাল নেটওয়ার্কে বেশ সমালোচনা করছেন। প্রশ্নের মুখে পড়ছেন সরকারের মন্ত্রীরা। কিন্তু ঘাপটি মেরে বসে আছে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়া বরপুত্ররা।
গোল্ডেন রাইস উৎপাদনের অনুমোদন প্রশ্নের মুখে পড়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, “বিরি-র (বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) অনুরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কমিটি অন ক্রপ বায়োটেকনোলজি গত ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই ধান উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে।”
এই বিরি হচ্ছে ধান গবেষণার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বর্তমানে এটি চালাচ্ছে কারা? সরকারকে অনুরোধ জানানো এই বিরি-র মহাপরিচালক হচ্ছে ড. জীবন কুমার বিশ্বাস এবং এর সচিব হচ্ছে শ্যামল কান্তি ঘোষ।
সঙ্গত কারণেই বলতে হয়, স্বাধীনতার পর থেকে ধান গবেষণার এই প্রতিষ্ঠানটিতে ২৬ জন মহাপরিচালক হয়েছেন, যার মধ্যে ১ জনও হিন্দু ছিলেন না। কিন্তু ২৭ নম্বরে জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস এসেই মুসলিম নিধনের মতোই উদ্দেশ্যমূলক পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাসের উপরে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে আছে ‘শ্যামল কান্তি ঘোষ’ নামক আরেক গোঁড়া হিন্দু। এরাই প্রকৃত সত্য গোপন রেখে ইতিবাচক ভঙ্গির উপস্থাপনা করে দেশে এসব বিষাক্ত ধান উৎপাদন করার অনুমোদন নিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চাইছে।
প্রকৃতপক্ষে এরা দেশ ও জাতির শত্রু। কোটি কোটি মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে এরাই।
সুতরাং এদের চিহ্নিত করে কঠোরভাবে বিচারের আওতায় এনে প্রয়োজনে এদের মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিত।

Sep 20, 2015

দশচক্রে ভগবান ভূত; ঐতিহাসিক মুসলিমবাগ ঈদগাহ এখন ঢাকেশ্বরী মন্দির!

     শায়েস্তা খাঁ, মোঘল আমলের একজন বিখ্যাত সুবাদার বা প্রাদেশিক শাসক ছিলেন। তার খ্যাতি মূলত বাংলার সুবাদার হিসাবে। তিনি বাংলা শাসন করেন প্রথমবার ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ সাল এবং দ্বিতীয়বার ১৬৮০ থেকে ১৬৮৮ সাল। তাঁর শাসনামলে ঢাকায় ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয় এবং এ সময় তিনি বহু মসজিদ, ঈদগাহ নির্মাণ করেন। তার মধ্যে বর্তমান পুরনো ঢাকার অভ্যন্তরে পলাশী ব্যারাক এলাকায় বুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসসমূহের দক্ষিণে একটি ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন, যার পার্শে একটি মসজিদও ছিলো বলে ইতিহাসে পাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত বড় একটি ঈদগাহ হিসেবে বিখ্যাত ছিলো। ঐ স্থানটির তৎকালীন নাম ছিলো মুসলিমবাগ। এটি ছিলো তৎকালীন সময়ের ঐ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ। নাম ছিলো মুসলিমবাগ সুন্নি ঈদগাহ।

বিভিন্ন ইতিহাসে বর্ণিত, এখানে একটি বিশেষ কূপ ছিলো। যে কূপের পানি ছিলো অত্যন্ত সুমিষ্ট। যে পানি পান করলে অনেক কঠিন দুরারোগও ভালো হয়ে যেতো। এই কুপটির সুনাম ভারত বর্ষসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছিলো। এর পানি খাওয়ার জন্য হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকেরাও এখানে আসতো। যেহেতু কূপটি মুসলমানদের ছিলো তাই অনেক বিধর্মী এই কুপের পানি খাওয়ার জন্য বা নেয়ার জন্য আরজি করতো। মুসলমানদের মহানুভবতার কারণে সেই সুবিধা তারা শতভাগ লাভ করতো। এমনকি এই পানি খেয়ে উপকার পেয়ে অনেক বিধর্মী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কথাও জানা যায়। এছাড়াও বহু হিন্দু এস্থানের ঐতিহাসিক কূপের পানি পান করার জন্য কলিকাতা, দিল্লী, গুজরাট, কানপুর, মিজোরাম, মেঘালয় থেকে আসতো। তারা এই কূপের পানিকে ঈশ্বরের জল মনে করতো। শুধু তাই নয়, ইংরেজরা এই উপভারত মহাদেশে আসার পরে এই কূপের পানি খেয়ে উপকৃত হয়ে এটাকে ‘প্রফেসিক ওয়াটার’ বলে আখ্যায়িত করেছিলো। অথচ কূপটির মূলত ছিলো  মুসলমানদের।

    সময়ের আবর্তনে এই কূপের পানির লোভ তথা ঈদগাহ ময়দানের সৌন্দর্যবোধ হিন্দুদের স্বপ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ব্রিটিশ আমলে হিন্দুরা ব্রিটিশদের পা চেটে, অনেক কাকুতি মিনতি করে অতি কৌশলে স্থানটি দখলদারিত্ব নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে হিন্দুরা এই বরকতময় পানিকে তাদের মতো পবিত্র করার লক্ষ্যে এর ভেতর গো-চনা নিক্ষেপ করে ও নানা পূজা পার্বন করার কারণে কিছুদিন পর পানি ঐশ্বরিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও সেই পানি আর তারা উত্তোলন করতে পারেনি। এক পর্যায়ে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় এই কূপ ও ঈদগাহের সমস্ত ইতিহাস তারা মুছে দেয় এবং মিথ্যা ইতিহাস তৈরি করে। সেই মিথ্যা ইতিহাসে হিন্দুরা বলে, ১২শ শতাব্দিতে বল্লাল সেন এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত করে। কিন্তু ঐতিহাসিকরা আগেই প্রমাণ করেছে তৎকালীন যুগের মন্দিরের নির্মাণ শৈলীর সাথে এর কোনো মিল নেই। স্থানটি পরবর্তীতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে রূপধারণ করে। হিন্দুরা সেখানে দুর্গা পূজার প্রচলন ঘটায়। বর্তমানে ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি হচ্ছে দূর্গাপূজার সবচেয়ে বড় স্থান। যেহেতু দুর্গাপূজার বিশেষত্বেই এই মন্দিরের পরিচিতি সুতরাং এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা ব্রিটিশ আমলেই। কেননা, ব্রিটিশ আমলেই দুর্গাপূজার প্রচলন হয়। এর আগে দুর্গা পূজা বলতে হিন্দুদের মধ্যে কোনো উৎসব ছিলো না।

    প্রকৃতপক্ষে, বর্তমানের ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জায়গাটি ছিলো শায়েস্তা খাঁর আমলের মুসলিমবাগ ঈদগাহ-এর জায়গা। কুচক্রী হিন্দু সম্প্রদায় ছলে বলে কৌশলে সেই স্থানটি ব্রিটিশদের কাছ থেকে তাদের নামে বরাদ্দ নিয়ে মুসলমানদের ঈদগাহ ধ্বংস করে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছে। কিভাবে যুগে যুগে শক্তি প্রয়োগ ও কৌশলে নীরিহ মানবগোষ্ঠীর জমি জমাসহ সবকিছুর সার্থন্বেষী মহল গলধঃকরণ করেছে, এই ঢাকেশ্বরী মন্দির তার একটি নির্মম দৃষ্টান্ত। কবি তাই বলেছেন, ‘তুমি মহারাজ, সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে..’।
আশ্চর্য, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হচ্ছে তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই, তারা চলে যাচ্ছে উদ্বাস্তু শিবিরে এবং একসময় এই ইতিহাসকেও মুছে ফেলা হচ্ছে।

পবিত্র কুরবানীর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনলে তা সরকারের অজ্ঞতা ও ব্যর্থতার নজির হয়ে থাকবে ॥ প্রয়োজন হাটের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়ানো

      রাজধানী ঢাকায় প্রতিবছর বাড়ছে মানুষ, বাড়ছে ঈদে বাড়ি ফেরাদের সংখ্যা এবং সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজধানীতে কুরবানীদাতার সংখ্যা। এছাড়াও অবিশ্বাস্য হারে ঢাকায় বাড়ছে ধনী লোকের সংখ্যা। সুতরাং সেই সাথে কুরবানীর পশুর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে সমান হারে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে সবকিছু বাড়লেও এবার বাড়ছে না কুরবানীর হাট। সরকারি মহলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার রাজধানীতে কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনা হচ্ছে। যদিও হওয়া উচিত ছিলো বিপরীতটি।
হাট কমানো হলে স্বাভাবিকভাবেই কমবে কুরবানীর পশুও। কুরবানীর পশুর হাট কেন বাড়ানো প্রয়োজন তার একটি সহজ হিসাব আমরা দেখতে পারি। এতে স্পষ্টভাবেই বোঝা যাবে সরকারের গৃহিত সিদ্ধান্ত কতোটা অজ্ঞতা ও ব্যর্থতার নামান্তর। কুরবানীর হাটে গরুর জন্য নিম্নোক্ত বিধি ব্যবস্থা থাকা একান্ত প্রয়োজন।

     প্রতিটি গরুর জন্য কমপক্ষে ৫০ বর্গ ফুট ও প্রতিটি ছাগলের জন্য ২৫ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন। কারণ গরুর অবস্থান স্থল, দুটি গরুর মধ্যবর্তী জায়গা, গো’খাবারের জন্য পৃথক জায়গা, গরু ব্যাপারীর থাকার জায়গা, দুই গরুর সারির মধ্যখানের রাস্তা ও ক্রেতাদের দেখার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় জায়গা (সামনে ও পেছনে), গরুর ভূষি জাতীয় ও খড় জাতীয় খাবারের পৃথক দোকানের স্থান, ট্রাক থেকে গরু নামানোর স্থান, হাসিল ঘরের জায়গা (প্রতিটি প্রবেশদ্বার/বাহিরদ্বারের জন্য একটি করে হাসিল ঘর), ট্রাক স্ট্যান্ড, ক্রেতাদের খাবারের দোকানসমূহ, ক্রেতাদের বিশ্রাম স্থান, টয়লেট, ভলিন্টিয়ারদের অবস্থান স্থল, নিরাপত্তা প্রহরীদের অবস্থান স্থল, র‌্যাব-পুলিশের অবস্থান, পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থান, অসুস্থ পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র ও চিকিৎসকদের থাকার জায়গা, পানির সংরক্ষণ ও বিতরণের স্থান ইত্যাদি। এতে প্রতিটি গরুর জন্য কমপক্ষে গড়ে ৭০ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন। 

     ঢাকা শহরে ২৫ লক্ষ গরু ও ৫ লক্ষ ছাগল জবাই হয়। সে মুতাবিক গরুর জন্য বরাদ্দকৃত জায়গা প্রয়োজন (২৫ লাখদ্ধ৭০ বর্গফুট) জন্য ১৭০১৪ বিঘা প্রায়। এবং একটি ছাগলের জন্য জায়গা প্রয়োজন ২৫ বর্গফুট। ঢাকা শহরে ছাগল জবাই হয় ৫ লক্ষ। সে হিসেবে ছাগলের জন্য মোট জায়গা প্রয়োজন হয়, (৫ লক্ষদ্ধ২৫ বর্গফুট) অর্থাৎ ১ কোটি ২৫ লক্ষ বর্গফুট, যা ৮৬৮ বিঘা জায়গা প্রায়। তাহলে গরু ও ছাগালের জন্য মোট প্রয়োজন হচ্ছে ১৭৮৮২ বিঘা জায়গা। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীতে ১৫০টি হাটের প্রয়োজন। সে অনুপাতে প্রতিটি হাটের জন্য প্রয়োজন ১৭৮ বিঘা জায়গা। সে অনুপাতে বাস্তবতায় ঢাকার হাটগুলো খুবই ছোট এবং তার উপর যদি হাটের সংখ্যা কমানো হয়, তাহলে অবস্থা হবে আরো বেগতিক।

     সরকারকে মনে রাখতে হবে, দেশের মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কিংবা সমস্যা সৃষ্টি করার ফল কখনো ভালো হবে না। তাতে সরকারের অবস্থাও বেগতিক হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা না কমিয়ে বরং দ্বিগুণ করতে পারলে যানজট কমবে, মানুষ স্বস্তিতে পশু কেনাকাটা করতে পারবে, পকেটমারের দৌরাত্ম্য ও বিশৃঙ্খলা বহুলাংশে কমবে এবং অনেক পশু সংকুলান হবে। ফলে পশুর দামও সহনীয় থাকবে।
কাজেই কুরবানীবিদ্বেষী মহলের কুপ্ররোচনায় প্রভাবিত না হয়ে দেশের জনগণের সুবিধা এবং অসুবিধার কথা ভাবতে হবে।

Share with...

Labels

ব্যানার হেডিং আহলে বাইত ঈদে মিলাদুন নবী চাঁদ দেখা ষড়যন্ত্র সউদী সরকার ইহুদী ওহাবী Coca-cola is poison ঈদ তাবলীগ মুসলমানদের শত্রু হারাম ও কুফরী Dazzal'e Kazzab: Deoband কাফির কুফরী দিবস গণতন্ত্র দিবস প্রতারণা বিলাদত শরীফ সংবিধান সরকারের দায়িত্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা অর্থনৈতিক মন্দা অশ্লীল পোশাক অস্বাভাবিক মৃত্যু আমেরিকা ইজতেমা ইসলামের শত্রু ঈদের চেতনা এক দিনে পৃথিবীর সব দেশে রোযা ও ঈদ পালন ছুটি ঘোষণা ধোঁকা নিষিদ্ধ বাইতুল মুকাদ্দাস বিছাল শরীফ ভালোবাসা দিবস মহিলাদের জামায়াত মিরাজ শরীফ মিস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ মি’রাজ শরীফ রমজান উপলক্ষে রিযিক শ্রেষ্ঠ ঈদ আউলিয়ায়ে কিরাম আখিরী চাহার শোম্বাহ আত-তাক্বউইমুশ শামসি আমীরুল মু’মিনীন আশূরা আহকাম ইনশাআল্লাহ ইনসুলিন ও ইনহেলার নেয়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইহুদী এজন্ট ঈদ ফ্যাশন ঈদের রাত ঈদের রাতে ও দিনে উজরত বা পারিশ্রমিক ওলীআল্লাহ কুদরত কুফরী আক্বীদা খুশি প্রকাশ খোদায়ী গযব ছদকাতুল ফিতর ছবি জুলুমবাজ তাবলীগ কি ও কেন তারাবীহ নামায থার্টি ফাস্র্ট নাইট দাইয়্যূছ দান দুরূদ শরীফ দোয়া কবুল ধর্মনিরপেক্ষতা নববর্ষ নারী নীতিমালা ২০১১ নিম্নমানের মাল বা বস্তু পর্দা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বদর জিহাদ বিশেষ পাঁচটি রাত বিসমিল্লাহ বোরকা বিরোধিতা ভেলেন্টাইন ডে’র প্রবর্তক ভোট মুশরিক মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মে দিবস যাকাত যাকাত দেয়ার উত্তম স্থান রোজা রোযা অবস্থায় ইনজেকশন রোযা ভঙ্গ শবে বরা শরীয়তবিরোধী শ্রমিক দিবস সবচেয়ে বড় ঈদ সুন্নত সৌর বৎসর ক্যালেন্ডার স্যালাইন হারাম খাদ্য হালাল ১২ ই রবিউল আওয়াল ১৭ই রমাদ্বান শরীফ