সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দেশের প্রতিটি সেক্টরেই হিন্দুরা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, দেশ ও জাতির স্বার্থেই তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে

ইন্টারনেটে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং উনার পবিত্র বিষয়সমূহ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটূক্তি, ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের পর আঘাত করে রক্তক্ষরণ করে যাচ্ছে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, নাপাক, অচ্ছুত জাত হিন্দু মালউনরা। এই কুলাঙ্গারদের মধ্যে আছে ছাত্র, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, লেখকসহ নানা রকম পেশাজীবী। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশই ডাক্তার।  ডাক্তার এমন একজন ব্যক্তি, যার কাছে রোগী তার জীবনের ব্যাপারে ভরসা করে। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত এ দেশে থেকে এই ডাক্তার যদি হয় চরম ইসলামবিদ্বেষী, সাম্প্রদায়িক ঘাতক, তাহলে তার চেয়ে ভয়াবহ আর কি হতে পারে? তার কাছে কয়জন রোগী আসে হিন্দু? ৯৮ ভাগ রোগীই হচ্ছে মুসলিম। তাহলে তারা এই সাম্প্রদায়িক হিন্দু চিকিৎসকদের হাতে কতটুকু নিরাপদ?  অনলাইনে সক্রিয় যেসব উগ্র হিন্দু ডাক্তার রয়েছে, তাদের একজন হচ্ছে অখিল রঞ্জন বিশ্বাস। সে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হেমাটোলজির এসোসিয়েট প্রফেসর। তার ফেইসবুক আইডি’র (ধশযরষ.ৎ.নরংধিং) পুরো টাইমলাইনই এন্টি ইসলামিক কন্টেন্ট দিয়ে ভর্তি।  এরকম আরো যারা উগ্র হিন্দু ...

বাংলাদেশ থকে সাড়ে ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ দেশে পাঠাচ্ছে ভারতীয় হিন্দুরা ॥ বাংলাদেশে ভারতীয়দের ব্যবসা-বাণিজ্য নিষিদ্ধ করতে হবে

বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশী নাগরিকদের মধ্যে ভারতীয় হিন্দুরা সবচেয়ে বেশি টাকা দেশটিতে প্রেরণ করে বলে সংসদে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত। এই হিসাব অনুযায়ী ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট ২৮ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার বিদেশীরা নিজ নিজ দেশে পাঠিয়েছে। যা বিগত ২০১২-১৩ অর্থ বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। সেবছর এই পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন ডলার। (সূত্র: সাসনিউজ২৪.কম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫ ঈ.) অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, বর্তমানে ভারতীয়রা বাংলাদেশ থেকে ৮ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ দেশে পাঠিয়েছে। যা বিগত ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ছিল ৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ডলার।  উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, বাংলাদেশে অবস্থানকারীদের মধ্য ভারতীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর বাংলাদেশে অভিবাসী বিদেশীদের চরিত্র পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকরা বলছে, এই বিদেশীরা বাংলাদেশে থেকে নিজেদের জীবন নির্বাহ করলেও কোনভাবেই এইদেশের অগ্রগতি সহিষ্ণু নয়। ফলে, সুযোগ পেলেই সামান্য সুবিধার বিনিময়ে তারা বাংলাদেশ-বিরোধী নানান অন্তর্ঘাতমূলক কাজে জড়িয়ে যায়। বাংলাদেশে অবস্থানরত অধিকাংশ ভারতীয় নাগরিকরা কাজ করে মূ...

ভারতে মুসলমানরা পদে পদে লাঞ্ছিত হচ্ছে আর এদেশে হিন্দুরা সম্প্রীতির দোহাই দিয়ে রাজার হালে থাকছে; হিন্দুতোষণের জন্য সরকারকে কঠিন জবাবদিহি করতে হবে

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.৫ ভাগ (প্রায়) হিন্দু জনগোষ্ঠী। আর ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ ভাগ মুসলমান। অর্থাৎ ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি হওয়ার পরেও প্রতিটি পদে মুসলমানদের লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়, নির্যাতিত, নিপীড়িত হতে হয়, চরম বৈষম্যের শিকার হতে হয় এবং সামাজিক ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়। আর ধর্ম পালনের অধিকারের কথা না হয় বাদই দিলাম। ২৮ জানুয়ারি ২০১৫ ঈসায়ী তারিখে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক সভায় আন্তঃরাষ্ট্রীয় কার্যকরী প্রেসিডেন্ট প্রবীণ তোগাড়িয়া স্থানীয় হিন্দুদের উদ্দেশ্যে বলেছে, ‘বাংলাদেশী মুসলমানদের তাড়িয়ে দিন। ওদের ঢাকায় পার্সেল করে দিন। একজন বাংলাদেশী মুসলিমকেও ঘর ভাড়া দেবেন না। চাকরি দেবেন না, কাজ দেবেন না, ওদের কাছ থেকে সবজি কিনবেন না, চুল কাটাবেন না, ওদের রিকশায় বসবেন না।’ (সূত্র- রেডিও তেহরান, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৫ ঈসায়ী) কথিত ধর্মনিরপেক্ষতার দেশ ভারতের জনসংখ্যায় মুসলমান প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যদি এমন হয়, তবে আমাদের দেশে মাত্র ১.৫ ভাগ হিন্দুদের প্রতি কিসের এতো সম্প্রীতি? দেশের ...

এদেশে মূর্তিপূজারী হিন্দু মুশরিকদের পূজায় অংশগ্রহণের জন্য মুসলমানদেরকেও শিরকের মতো জঘন্য পাপ কাজের সমর্থনকারী হিসেবে খোদায়ী গযবে পড়তে হবে; সুতরাং মুসলমান থাকতে হলে হিন্দুদের প্রশ্রয় দেয়া যাবে না

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেক কাজ ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য করো, পাপ ও শত্রুতার মধ্যে সাহায্য করো না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠোর শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যখন পৃথিবীতে কোথাও কোনো পাপ কাজ সংঘটিত হয়, তখন যে ব্যক্তি উক্ত স্থানে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও উহাকে ঘৃণা করে, সে ব্যক্তি এরূপ যেন উহা হতে দূরে ছিল। আর যে ব্যক্তি দূরে থেকেও উক্ত পাপের প্রতি সন্তুষ্ট থাকে, সে এরূপ যেন তথায় উপস্থিত ছিল।” (আবূ দাউদ শরীফ, মিশকাত শরীফ) অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফ মোতাবেক স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, যারা হিন্দুদের মূর্তিপূজায় বাধা না দিয়ে বরং নীরবতা পালন করবে বা সমর্থন করবে তারাও সেই পাপ কাজের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! এর পরিণতি কি? পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এ ব্যপারে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” (মুসনাদে আহমদ, সুনানে আবূ দাউদ) কারো বাড়িতে কোনো হিন্দুকে ...

সম্প্রীতির নামে মূর্তিপূজারী হিন্দুদের প্রশ্রয় দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানোর শামিল, মুশরিকদের সাথে গযবে পড়ার আগে মুসলমানদের উচিত যার যার এলাকা থেকে হিন্দুদেরকে তাড়িয়ে দেয়া

স্বয়ং যিনি মানবজাতির সৃষ্টিকর্তা, মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক তিনি নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মানবজাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নাপাক শ্রেণীর পরিচয় প্রকাশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮) সুতরাং এখানে মুসলমানদের কিছুতেই উচিত হবে না কথিত সম্প্রীতির নামে নাপাক, অস্পৃশ্য শ্রেণী হিন্দু মুশরিকদের প্রশ্রয় দেয়া। তাদেরকে এদেশে থাকতে দেয়া বা প্রশ্রয় দেয়ার অর্থ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানো। নাউযুবিল্লাহ!  এর পরিণতিস্বরূপ একজন মুসলমানের জন্য প্রথমত, তার ঈমান বরবাদ হয়ে যাবে, মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর দুনিয়াতে মূর্তিপূজারী মুশরিকদের উপর যতো খোদায়ী গযব নাযিল হবে, তা মুশরিকদের প্রশ্রয়দানকারী বা সমর্থনকারী হিসেবে সেসমস্ত নামধারী মুসলমানদের উপর পতিত হবে। নাউযুবিল্লাহ! অতঃপর, মুশরিক হিসেবেই তার মৃত্যু হবে এবং মুশরিকদের সাথেই হাশর-নশর হবে। নাউযুবিল্লাহ!  সুতরাং কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ও মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে যুদ্ধ ঘোষণাকারী হিন্দু মুশরিকদের প্রশ্রয় দিতে গিয়ে ঈমান হারিয়ে দুনিয়াতে ম...

সরকারি উদ্যোগে বাংলার পবিত্র যমীন থেকে অস্পৃশ্য হিন্দু জাতিকে বিতাড়িত করতে হবে, নতুবা এদের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনারা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে

বাংলাদেশে বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ৯৮ ভাগই হচ্ছেন মুসলমান। আর যবন, অস্পৃশ্য হিন্দু মুশরিকদের সংখ্যা মাত্র প্রায় ১.৫ ভাগ। হিন্দুমাত্রই মূর্তিপূজারী তথা প্রকাশ্যে শিরককারী। নাউযুবিল্লাহ! এই মুশরিকদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮) বলাবাহুল্য, হিন্দুরা একদিক থেকে নাপাক অস্পৃশ্য জাত তার উপরে চরম ইসলামবিদ্বেষী। তারা ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে থেকেও অনলাইনে বিশেষ করে সোস্যাল নেটওয়ার্ক ফেইসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে তারা প্রতিনিয়ত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মুসলমানগণ উনাদের প্রাণপ্রিয় ও একমাত্র ঈমান উনার মূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে কটূক্তি, ব্যঙ্গ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।  পবিত্র কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ নিয়ে ব্যঙ্গ করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! নাপাক জাত হিন্দুদের এসব আস্ফালন বরদাশতযোগ্য নয়। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম অনুযায়ী তাদেরকে প্রকাশ্যে শাস্তি দেয়া প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফ...

ভারতীয় প্রশাসনে উচ্চপদস্থ মুসলমানরা প্রকৃত মুসলমান নয়; বরং উগ্র হিন্দুত্ববাদের পূজারী, নাস্তিক ও শিয়া শ্রেণির নামধারী মুসলমান

বাংলাদেশে প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে গণহারে হিন্দু নিয়োগ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে। এসব সমালোচনার জবাবে অনেক হিন্দু বা হিন্দু ঘেষা নামধারী মুসলমানরা বলে থাকে, ভারতে অনেক বড় বড় পদে মুসলমানদের দেয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশে হিন্দু নিয়োগ দিলে সমস্যা কোথায়? হিন্দু নিয়োগে সমস্যা আসলে একটি দুটি নয়, বরং বহুবিধ। তবে সমস্যা তুলে ধরা আমার উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে, ভারতের প্রশাসনে যাদেরকে নেয়া হচ্ছে তারা কোন শ্রেণীর মুসলমান, তাদের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরা। ভারতের উচ্চপদে মুসলমান রয়েছে এমন কথা উচ্চারণ করলে প্রথমেই নাম আসে সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালামের নাম। মূলত, এপিজে নামে মুসলমান হলেও তার প্রকৃত পরিচয় হচ্ছে সে মজুসি (অগ্নি উপাসক)। সে নিয়মিত গিতা পাঠ করতো। এমনকি কট্টর সাম্প্রদায়িক আরএসএস পর্যন্ত তাকে হিন্দু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ভারতে এ ধরনের নামধারী মুসলমান অনেক আছে যারা মজুসী হওয়ার কারণে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করতে পেরেছিলো। যেমন- ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ফারুক জাহাঙ্গীর এবং মনসুর আলী খান পাতৌদী (বলিউড নায়ক সাঈফ আলী খানের বাবা)। অতঃপর, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জাকির হুসাইন এবং ফখরুদ্দিন আলী দু’জনই...

প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের ভ্রান্ত আক্বীদা ও তার খন্ডন মূলক জবাব

প্রচলিত ৬ উছূলভিত্তিক তাবলীগ জামায়াতের লোকদের লিখিত কিতাবে এ কথা উল্লেখ আছে যে, মূর্খ হোক, আলিম হোক, ধনী হোক, দরিদ্র হোক, সকল পেশার সকল মুসলমানের জন্য তাবলীগ করা ফরজে আইন। (হযরতজীর মালফুজাত-৪, পৃষ্ঠা-৭, অনুবাদক- মাওলানা ছাখাওয়াত উল্লাহ; তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব, পৃষ্ঠা-৫৬, অনুবাদক- ইসমাঈল হোসেন; তাবলীগে ইসলাম, পৃষ্ঠা-৩, লেখক- মাওলানা আব্দুস সাত্তার ত্রিশালী; পস্তী কা ওয়াহিদ এলাজ, লেখক- মাওলানা এহ্‌তেশামুল হাসান কান্দলবী, পৃষ্ঠা-২২) ———————————————————————————- তাদের উপরোক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন জাগে, তাবলীগ করা কি- ফরজে আইন নাকি ফরজে কিফায়া? কেননা- যে ইবাদত প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে পালন করা ফরজ তা  ফরজে আইন । যেমন- নামাজ, রোজা, ইত্যাদি। আর যে ইবাদত সমষ্টিগতভাবে পালন করা ফরজ অর্থাৎ যে ফরজ কাজ দেশবাসী, শহরবাসী,এলাকাবাসী বা কোন সম্প্রদায় থেকে একজন আদায় করলেই সকলের তরফ থেকে ফরজের হক্ব আদায় হয়ে যায় তা  ফরজে কিফায়া । যেমন- কুরআনে হাফিজ হওয়া বা আলিম হওয়া, জানাযার নামাজ ইত্যাদি। উপরোক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আরো একটি প্রশ্ন জাগে, তাবলীগ ক...

নারী নীতিমালা-২০১১’ এর প্রতিবাদে দৈনিক আল ইহসানের ব্যানার হেডিং

মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আলে ইমরান-এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো ধর্ম বা মতবাদ ও নিয়মনীতি তালাশ করবে তার থেকে সেটা কবুল করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। তাই মুসলমান মাত্রই একমাত্র ইসলামকেই অনুসরণ করতে হবে। কোন মুসলমান ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা বা নিয়ম-নীতি পালন করলে সে কস্মিনকালেও মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কাজেই, যারা ইসলামের নির্দেশ ত্যাগ করে কুফরীকে অনুসরণ করে সম্পত্তিতে নারী পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা তাহলে কি করে মুসলমান থাকবে? অতএব, সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- অতিসত্বর ওয়ারিছ স্বত্ব আইনসহ সর্বপ্রকার ইসলাম বিরোধী আইন বাতিল করা এবং সর্বক্ষেত্রে ইসলাম জারি করা। যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একদিন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা...