সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দেশের চলমান সহিংসতা, জনগণের বিপদ এসব মূলত নিজেদের হাতের কামাই

দেশের চলমান সহিংসতা, জনগণের বিপদ এসব মূলত নিজেদের হাতের কামাই ॥ ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে এবং হারাম কাজে মুসলমানদের প্রতিবাদ বিমুখ হওয়া এবং মৌন সমর্থনই এর মূল কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “যমীনে ও পানিতে যত ফিতনা সব মানুষের হাতের কামাই।” (পবিত্র সুরা রুম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪১)  দেশের চলমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, মানুষ আগুনে পুড়ছে, অর্থনীতি ধ্বংস হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বহু পরিবহন, ভবন, প্রোপার্টি আগুন লেগে জ্বলেপুড়ে কয়লা হচ্ছে- এসব ধ্বংসযজ্ঞ মূলত মানুষের পাপের ফসল। যে জাতি সারাদিন গুনাহ’য় লিপ্ত থাকে, ঠিকমতো যাকাত আদায় করে না, ব্যভিচার ও অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত থাকে, যালিম শাসকদের (ভোট দিয়ে) সমর্থন করে, মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক (হিন্দু)দের সাথে মেলামেশা করে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে ও তাদের অপসংস্কৃতি, রীতি-রেওয়াজকে আপন করে নেয় তাদের পরিণতি এর চেয়ে ভালো কি হতে পারে? মুসলমানরা এখন বিজাতির অনুসরণে হারাম পহেলা ফাগুন-পহেলা বৈশাখ পালন করে, হারাম ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করে, হারাম খেলাধুলায়, গানবাজনায় মজে থাকে, থার্টি ফার্স্ট নাইট প...

পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে দেশবিরোধী চক্রান্ত করে যাচ্ছে প্রথম আলো

পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে দেশবিরোধী চক্রান্ত করে যাচ্ছে প্রথম আলো; নব্যরাজাকার সম্পাদক মতিউরকে গ্রেফতার করে অবিলম্বে ফাঁসিতে ঝুলানো হোক সম্প্রতি সরকার আইন করেছে, কোনো বিদেশী সংস্থা বা ব্যক্তি পার্বত্য এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঁচাতে সরকারের এই আইন কুচক্রীদের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই আইন অবশ্যই সময়োপযোগী এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশী-বিদেশী কিছু কুচক্রী মহল বিভিন্ন এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থার মুখোশে পার্বত্য এলাকায় প্রবেশ করে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্র উপজাতি সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে, পূর্ব-তিমুর কিংবা দক্ষিণ সুদানের মতো তিন পার্বত্য জেলাকেও বাংলাদেশ থেকে পৃথক করে একটি নতুন খ্রিস্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। মূলত, এ চক্রান্ত রুখতেই নতুন আইন করতে বাধ্য হয় সরকার।  সরকার কুচক্রী বিদেশীদের যাতায়াতের পথে প্রতিবন্ধকতা করতে পারলেও পারেনি প্রথম আলোর মতো বিদেশীদের এজেন্টদের চক্রান্ত বন্ধ...

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এ দেশের পাঠ্যবইয়ে কুফরী শিক্ষা কেন?

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এ দেশের পাঠ্যবইয়ে কুফরী শিক্ষা কেন? সরকার কি এদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলামবিদ্বেষী ও কাফির বানাতে চায়? সরকারকে এর জবাবদিহি করতে হবে আমাদের দেশের এনসিটিবি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) কর্তৃক প্রকাশিত ও ভারত থেকে মুদ্রণকৃত বইগুলোতে প্রকাশ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে কটাক্ষ করে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক কুফরী, শিরকীমূলক বক্তব্য ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যা চরম পর্যায়ের দুঃসাহসিকতা। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান অধিবাসী উনাদের সন্তানদের এসব কুফরী শিক্ষাতে এমন কায়দায় বাধ্য করা হচ্ছে, যেভাবে ভারতে মাদরাসাগুলোতে গীতা পাঠে বাধ্য করা হচ্ছে। সরকারি পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে এসমস্ত কুফরী ও ইসলাম পরিপন্থী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করায় দেশের সচেতন অভিভাবকমহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে।  উল্লেখ্য, তৃতীয় শ্রেণীর ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বইয়ের জনসংখ্যা অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কম সন্তান নিলে বড়লোক হয়, অধিক সন্তান নিলে গরিব হয়’ আবার, ‘কম সন্তান নিলে আধুনিক হয়, অপরদিকে যাদের মুখে দাড়ি থাকে এবং মাথায় ঘোমটা থাকে তারাই অধিক সন্তান নেয়।’ নাউযুবিল্ল...

দেশে উগ্র হিন্দুদের আস্ফালন: বাঙালি মুসলমানের ইতিহাস সরকারের স্মরণ রাখা উচিত

এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনারা ঘুমন্ত হতে পারে, মৃত নয়। নিজেদের ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ ভয়াল রাতে পাক বাহিনী যখন বাঙালিদের অতর্কিত হামলা করে, তখনও বাঙালিরা ঘুমিয়ে ছিলো, হামলা মোকাবেলায় অপ্রস্তুত ও নিরস্ত্র ছিলো। শত্রু বাহিনী যতটুকু ক্ষতিসাধন করতে পেরেছিলো তা রাজাকারদের সহায়তায়। সেই স্বদেশবিরোধী মুনাফিক রাজাকারদেরও দিন ফুরিয়ে আসছে। ৭১-এ পাক বাহিনীর হামলার মোকাবেলা কিন্তু ঘুমন্ত বাঙালিরাই করেছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে কেবল ঈমানদীপ্ত বাঙালির দেশপ্রেম চেতনার কারণে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তাঁর ভাষণে ‘দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ’ বলে বাঙালি মুসলমানদের সেই ঈমানী জযবাকে আরো শানিত করে দিয়েছিলেন। যার ফলে অল্প কিছু বাঙালির হাতেই নাস্তানাবুদ হয়েছিলো সশস্ত্র পাক বাহিনী। এছাড়াও ইতিহাসে আরো দেখা যায়, ১৯৬৫ সালে লাহোরে ব্রেকফাস্ট করার ঘোষণা দিয়ে ৬০০ ট্যাঙ্ক নিয়ে ভারতীয় হানাদারা রওনা দিয়েছিল। কিন্তু তাদের অপচেষ্টা ধূলিস্যাৎ করে দেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে যায় মাত্র ৬০০ বাঙালি মুসলিম তরুণ। তারা পেটে ডিনামাইট বেঁধে হাসতে হাসতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারতীয় মুশরিক হানাদারদের ৬০০ ট্যাঙ্কের নি...

ভারতের গোঁড়া হিন্দু মুশরিকরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে

ভারতের গোঁড়া হিন্দু মুশরিকরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে, হিন্দুদের বর্বরোচিত সতীদাহ প্রথাও বন্ধ করেছিলেন মুসলিম শাসকগণ একথা সবারই জানা রয়েছে, হিন্দুধর্মের একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, উগ্র হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করতো। এটা বন্ধের ইতিহাস নিয়ে অনেকে দাবি করে থাকে যে- চোর রামমোহন রায় হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিল। অনেকে দাবি করে, ব্রিটিশ বেনিয়া উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক আইন করে সতীদাহ বন্ধ করেছিলো। আসলে প্রকৃতসত্য হচ্ছে, এর বহু আগেই মুসলিম শাসকরা বিভিন্ন সময় আইন করে এ বর্বর নির্মম প্রথা বন্ধ করেন, কিন্তু ইতিহাসে শুধু রামমোহন ও বেন্টিঙ্কের কথাই উল্লেখ করা হয়। যেমন: (১) সতীদাহ প্রথা বন্ধের প্রথম সরকারি প্রচেষ্টা মুসলিমরা করেছিলেন। মুহাম্মদ বিন তুঘলক তিনি সর্বপ্রথম এই প্রথা বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন। (L. C. Nand, Women in Delhi Sultanate, Vohra Publishers and Distribu...

বাঙালি সংস্কৃতির নামে কথিত হারাম বসন্ত উৎসব বা পহেলা ফাল্গুন কি আসলেই বাঙালি সংস্কৃতি?

বাঙালি সংস্কৃতির নামে কথিত হারাম বসন্ত উৎসব বা পহেলা ফাল্গুন কি আসলেই বাঙালি সংস্কৃতি? নাকি এদেশের ঈমানদীপ্ত মুসলমানদের বিপথগামী করে দেয়ার হীন উদ্দেশ্যে মুশরিকদের চক্রান্ত? কিছু ইতিহাস জ্ঞানশূন্য ও গ-মূর্খরা কথিত বাংলা সনের ফাল্গুন মাসের প্রথম দিনকে ‘পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসব’ হিসেবে পালন করে। এটাকে বাঙালি জাতির উৎসব বলে অপপ্রচারণাও চালায়। ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো অতি রঞ্জিত করে এসব প্রচার-প্রসার করে। কিন্তু আসলে বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির সাথে এর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে, বাংলা সন হিসেবে আমরা যে সালটি গণনা করি সেটি কোনো বাঙালি শুরু করেনি, করেছিলো মোঘল সম্রাট আকবর। যে জাতি হিসেবে ছিলো মঙ্গলীয় এবং তার ভাষা ছিলো ফার্সী। ১৫৯৩ ঈসায়ী (৯৯৩ হিজরী) সালে এ সন চালু করে বাদশাহ আকবর। কিন্তু জারি করার বৎসর হিসাবে দেখানো হয় ১৫৬৩ ঈসায়ী মুতাবিক ৯৬৩ হিজরী সালকে। শুরুতেই কথিত এ বাংলা সনের নামও ‘বাংলা’ সন ছিলো না, এর নাম ছিলো ‘তারিখ-ই-ইলাহি’। যেহেতু সম্রাট আকবর সে মুশরিকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে হিন্দু ও মুসলিম ধর্মকে গুলিয়ে ‘দ্বীন-ই-ইলাহি’ নামক একটি নতুন ভ্রান্ত ধর্ম চালু করেছিলো, সেই দ্বীন-...

ভারতের সিলেবাসগুলোতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষ আর কট্টর হিন্দুত্ববাদ

ভারতের সিলেবাসগুলোতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষ আর কট্টর হিন্দুত্ববাদ, পক্ষান্তরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের হাতে;  সরকার কি ‘অখ- ভারত’ প্রতিষ্ঠার মিশনে সহযোগী হয়ে কাজ করছে? ১ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘এই সময়’ পত্রিকায় (টাইম্স অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রকাশনা) সম্পাদকীয় পাতায় বিজেপি’র বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘রণকৌশল’ ও ‘স্লো পয়জনিং’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রকাশিত কলামের চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরা হলো- “তাদের প্রথম শাসনকালে, বিজেপি, মন্ত্রী মুরলীমনোহর জোশীর নেতৃত্বে শিক্ষাক্রম আর ইতিহাস পাঠের উপর, যাকে বলে, দ্রুতগামী স্টিমরোলার চালিয়েছিল। হিন্দুত্বের স্টিমরোলার। এবারে, আরএসএস-কে সামনে রেখে, হিন্দুত্ববাদীরা ধীর গতিতে এগোচ্ছে। এমনকি আরএসএস-এর একজন মুখপাত্র বলেছে, ‘আমরা তড়িঘড়ি কিছু করবো না। আমাদের হাতে অনেক সময় আছে, আমরা সুচিন্তিত, মাপা পদক্ষেপ ফেলব।’ এই ভিন্ন রণকৌশল কেন? এই স্লো পয়েজনিং কেন? ... যা লক্ষণীয় তা হলো ইতোমধ্যেই আরএসএস-এর সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কম করে দুটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে...

মুসলিম দেশের প্রশাসনে ইসলামবিদ্বেষী হিন্দু কেন? ৯৮ ভাগ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে চুনোপুটি হিন্দুরা আঘাত দেয়ার সাহস পায় কি করে?

পৃথীবিতে ইহুদীরা বিলুপ্তপ্রায় জাতি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের একসময়কার ক্ষমতাধর দেশগুলোকে তারাই নিয়ন্ত্রণ করতো। এখনো অনেক দেশ অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও ইহুদীদের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইহুদীরা ওই সমস্ত দেশগুলোর প্রশাসনে গুপ্তচরবৃত্তি ও তাদের এজেন্ট নিয়োগ দিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় ফায়দা হাছিল করে থাকে। বাংলাদেশেও অনুরূপ ফায়দা হাছিল করে যাচ্ছে কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ও নাপাক জাত হিন্দু মুশরিকরা। এদেশের প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে অগণিত হিন্দু নিয়োগকৃত। পিয়ন-আর্দালি থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত, সাধারণ কনস্টেবল থেকে শুরু করে প্রধান বিচারক পর্যন্ত হিন্দু। প্রতিটি হিন্দুই যে মুসলমানদের শত্রু তা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেই স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে, এছাড়া তাদের কার্যক্রমেও তা স্পষ্ট। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কৃষ্ণা গায়েন। তার বোনের নাম অদিতি ফাল্গুনী গায়েন। সে কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ও দেশ বিরোধী মিডিয়া প্রথম আলোর পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা লেখিকাদের একজন। এ অদিতি ফাল্গুনি দীর্ঘদিন ধরে তার ফেসবুক একাউন্টে ইসলামবিরোধী লেখালেখি করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ৮ই জানুয়ারি সে ফ্রান্সের শার্লি হেবডোতে প্রকাশিত ব্য...

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে সম্মানিত ‘ওহী নাযিল’ শব্দদ্বয় নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রপ করার জন্য কথিত অধ্যাপক শামসুল আলমকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, অন্যথায় সরকারকে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে

গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ঈসায়ী তারিখ টিসিবি অডিটরিয়ামে তিতাসের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে তিতাসের পরিচালক (অর্থ) বলেন, ‘সরকার গ্যাসের পণ্যমূল্য প্রতিহাজার ঘনমিটার ২৫ টাকা করার নির্দেশ দিয়েছে। সে কারণে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।’  সরকারের এই নির্দেশনা কিভাবে আসলো, চিঠির মাধ্যমে নাকি মৌখিক- এই বিষয়ে প্রশ্ন তোলে ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। এক পর্যায়ে সে বলেছে, “আপনি দারোয়ান না-কী পিয়নের কাছে নির্দেশনা পেয়েছেন?... আপনার প্রস্তাবের কোনো ভিত্তি নেই। এই প্রস্তাব ভুতুড়ে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। ...অতীতে এভাবে অনেক ওহী নাযিল হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। এটাও তেমনি একটি বিষয়।” (সূত্র: পেট্রোবাংলা আতঙ্কিত!, বাংলানিউজ২৪. কম, ০৩/০২/২০১৫ঈসায়ী) ক্যাবের উপদেষ্টা শামসুল আলম এখানে ‘সরকারের নির্দেশনাকে’ কেন্দ্র করে এই পবিত্র বিষয়টি ব্যঙ্গ অর্থে প্রকাশ করেছে, পবিত্র ওহী নিয়ে বিদ্রƒপ করেছে। সে বলেছে, ‘আপনি দারোয়ান না-কী পিয়নের কাছে নির্দেশনা পেয়েছেন?’ এরপর সে বলেছে, ‘আপনার প্রস্তাবের কোনো ভিত্তি নেই। এই প্রস্তাব ভুতুড়ে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।’ অর্থাৎ তার উচ্চারিত ‘ওহী নাযি...

বাংলাদেশ-ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি আহবান- কুকুরের জন্য মুগুর প্রস্তুত রাখুন

কাফির মুশরিকদের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস ও মুসলমানদের নমনীয়তার কারণে ভারতসহ বিশ্বব্যাপী মুসলমানগণ মার খেয়ে যাচ্ছে। কাপুরুষ কাফির-মুশরিকরা কখনোই মুসলমানদের সশস্ত্র হওয়ার কিংবা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ দেয়না। যার ফলে মুসলিম বীর জাতি সবসময় যুলুমের শিকার হয়েছে, হত্যা-গণহত্যার শিকার হয়েছে।  কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের উপর হামলা করে ফায়দা হাছিল করতে পেরেছে আরেকটি কারণে, সেটি হচ্ছে বিশ্বাসঘাতকতা অর্থাৎ দ্বিমুখী আচরণ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতে দেখা যায়, কাপুরুষ হিন্দুরা মুসলমানদের সাথে প্রথমে বন্ধুসূলভ আচরণ প্রদর্শন করে। তারা মুসলমানদের সাথে এমনভাবে বন্ধুত্ব সম্পর্ক করে যেন গলায় ছুরি চালানোর পূর্ব পর্যন্ত মুসলিম লোকটি বিশ্বাস করে যে, তার হিন্দু বন্ধুটি তার সাথে ঠাট্টা-তামাশা করছে। এদেশে ও ভারতে যতো মুসলমান হিন্দুর হাতে খুন হয়েছে, তার অধিকাংশই হিন্দুদের প্রতি অন্ধ বিশ্বাসের কারণে।  বলা বাহুল্য, মুসলমান শত্রু চিনতে ভুল করার কারণেই সারা বিশ্বব্যাপী মার খাচ্ছে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয় মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী, অতঃপর মুশরিক” (পবিত্র সূরা মায়িদা: পবিত্র আয়াত শর...

সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি আহবান- কাফির-মুশরিকদের ইসলাম বিদ্বেষী প্রচারণার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলুন

মুসলমানদের প্রতিবাদ বিমুখ নিরবতার কারণেই কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে বার বার আঘাত হানার সাহস পায়। তারা যত্রতত্র ইসলাম বিদ্বেষী প্রচারণা, ব্যাঙ্গ, বিদ্রুপ করার সুযোগ পায়। কারণে অকারণে মুসলমানদের উপর যুলুম নির্যাতন করে। কিন্তু মুসলমান যদি এসব যুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করে, ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে কোন কাফির মুশরিকের সাহস নেই মুসলমানদের শক্তির সামনে দাঁড়ানো।  সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রে একটি দৈনিক পত্রিকা ফ্রান্সের শার্লি হেবডোর ব্যঙ্গ কার্টুন পুনঃমুদণ করেছিলো। এতে ওই এলাকার মুসলমানগণ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠিন আন্দোলন শুরু করেন। তীব্র আন্দোলনের মুখে পত্রিকাটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। ওই অঞ্চলের মুসলমানগণ পত্রিকা বন্ধ করেই ক্ষান্ত হননি, পত্রিকার সম্পাদকের নামে অনেক মামলা করেছেন, যার ফলে ওই কুলাঙ্গার সম্পাদক এখন পলাতক। সম্পাদকের গ্রেফতারের দাবিতে মুসলমানরা তার বাড়ির চতুর্দিকে অনশন ধর্মঘট করছে। (সূত্র: বিবিসি বাংলা, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫ঈসায়ী) এ বিজয়ের জন্য ভারতের মহারাষ্ট্রের মুসলমানদের মুবারকবাদ জানাই। পৃথিবীর প্রত্যেক অঞ্চলেই মুসলমানগণ ...

দেশের প্রতিটি সেক্টরেই হিন্দুরা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, দেশ ও জাতির স্বার্থেই তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে

ইন্টারনেটে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং উনার পবিত্র বিষয়সমূহ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটূক্তি, ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের পর আঘাত করে রক্তক্ষরণ করে যাচ্ছে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, নাপাক, অচ্ছুত জাত হিন্দু মালউনরা। এই কুলাঙ্গারদের মধ্যে আছে ছাত্র, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, লেখকসহ নানা রকম পেশাজীবী। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশই ডাক্তার।  ডাক্তার এমন একজন ব্যক্তি, যার কাছে রোগী তার জীবনের ব্যাপারে ভরসা করে। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত এ দেশে থেকে এই ডাক্তার যদি হয় চরম ইসলামবিদ্বেষী, সাম্প্রদায়িক ঘাতক, তাহলে তার চেয়ে ভয়াবহ আর কি হতে পারে? তার কাছে কয়জন রোগী আসে হিন্দু? ৯৮ ভাগ রোগীই হচ্ছে মুসলিম। তাহলে তারা এই সাম্প্রদায়িক হিন্দু চিকিৎসকদের হাতে কতটুকু নিরাপদ?  অনলাইনে সক্রিয় যেসব উগ্র হিন্দু ডাক্তার রয়েছে, তাদের একজন হচ্ছে অখিল রঞ্জন বিশ্বাস। সে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হেমাটোলজির এসোসিয়েট প্রফেসর। তার ফেইসবুক আইডি’র (ধশযরষ.ৎ.নরংধিং) পুরো টাইমলাইনই এন্টি ইসলামিক কন্টেন্ট দিয়ে ভর্তি।  এরকম আরো যারা উগ্র হিন্দু ...